I don’t really remember

Standard

I watched it happen, but I don’t remember
There are a lot of things that I don’t remember.

If you come laughing and ask me,
I’ll shrug and say, “What? I don’t remember.”

I can sit down and try so hard,
But the doors are shut. I don’t remember.

You can have a story, then ask me.
My words make you shout – “I don’t remember.”

জাহাজ মাস্তুল ছারখার…তবু গল্প লিখছি বাঁচবার

Standard

ঘুম ভাঙার পর সকাল থেকেই আজ মন খুব খারাপ। কোন কারণ ছাড়াই। সেকেন্ডগুলোর হিসেব রাখতে পারছি না, মিনিট গুলো যেন হয়ে যাচ্ছে ঘন্টা, দিনটা যেন বছর।

কাজের একটা লিস্ট করলাম, একটার পর একটা, নিজেকে ব্যস্ত রাখা!

তারপরও মন তো তার মত করেই চলে, দিন ঠিকই মহাকাল হয়ে যায়! ইচ্ছাকরে সব ছেড়ে দ্বীপান্তরী হতে।

পত্রিকায় চোখ বুলালাম…

মিরসরাইয়ে ট্রাক উল্টে ডোবায়, ৪২ শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

খুনের পর আদিবাসী নারীর লাশ গাছে বেঁধে রাখা হলো

হরতালের আগুনে পুড়ে শেষ হলো মোশাররফের সংগ্রাম

উফফ…আর পারছি না।

সবকিছু নষ্টদের অধিকারে চলে গেলো? অথৈ সাগরে কি ছারখার হয়ে গেলো জাহাজ?

চোখ বুঁজে কল্পনা করি, এক ঝাঁক অভুক্ত মানুষের চাহনি। ঐ চাহনিতে কেবলি ক্রোধের আগুন। দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করার ক্রোধ। সেখানে নতুনের আকাঙ্খার তাগিদ স্পষ্ট করে দেয়, তারা ঘুরে দাঁড়াবে। বাঙালি যদি ঘুরে দাঁড়ায়, রোখে সাধ্য কার!

সূতো কাটা ঘুড়ি

Standard

মামার হাত থেকে রঙ পেন্সিল পেয়ে খুশির চোটে লাফ দিয়ে ওঠে তানিম। কতদিনের চাওয়া পূর্ণ হলো আজ। মেলা থেকে দুই টাকা দিয়ে এক তা কাগজ কিনে রেখেছিল আগেই। কিন্তু কাগজের রং বড্ড বেশি সাদামাটা লাগে তার কাছে। তাই সেই কবে রঙের আবদার করে রেখেছিল মামার কাছে!

পাশের বাড়ির নাহিদদের ভয় পায় সে। কাঁচের গুড়ি আর গাবের আঠা দিয়ে কড়া মানজা দেয় তারা। এই মানজা একদমই পছন্দ না তানিমের, কাটা খেলায় একবিন্দুও আগ্রহ নেই তার। নিরীহ সাদা সূতোই তার ভরসা।

বন্ধু রাহাতকে নিয়ে কাজে হাত দিয়েছে তানিম। তল্লাবাঁশ চাঁছতে চাঁছতে সে মামাকে জিজ্ঞেস, “কাটা ঘুড়িগুলো কোথায় যায় মামা?” মামা কোন উত্তর না দিয়েই হেসে চলে যায়। তবে মামা তাকে শিখিয়েছে, ঘুড়ির আসল জিনিস হচ্ছে ধনুক, তাই খুব যত্ন নিয়ে চাঁছতে হয়।

বিকেলে দুই বন্ধু ঘুড়ি নাটাই নিয়ে বের হয় স্কুলের মাঠে। আজ বেশ ভালো বাতাস হচ্ছে। আকাশে ঘুড়ির মেলা বসে গেছে। রাহাত দৌড়ে গিয়ে উপরে ছুড়ে দেয় ঘুড়ি, তানিমের হাতে নাটাই। মেঘের কাছাকাছি যেতে সময় লাগে না ঘুড়িটার।

হঠাৎ কোথা থেকে এক দস্যি ঘুড়ি এসে হাজির। নাহিদের ঘুড়ি। গায়ে পড়ে ঝগড়া শুরুর মতো গোত্তা খেতে খেতে এগিয়ে আসে তানিমের ঘুড়ির দিকে। সরিয়ে আনার আগেই ফোঁস করে নেমে আসে নিরীহ সুতোর উপরে। মুহুর্তে ঘ্যাচ করে কেটে যায়। হাওয়ার টানে দোল খেতে খেতে ঘুড়ি চলে যেতে থাকে উত্তর আকাশের পানে।

দৌড়াতে থাকে তানিম। কাটাঘুড়ি ধরবে বলে…

****

বজ্রপাতের বাজখাঁই আওয়াজে ঘুম ভেঙে যায় তানিমের। মোবাইলে সময় দেখে নেয়, বিকাল ৪টা ২৩ মিনিট, ৩টি মিস্‌ড্ কল। মোবাইল সাইলেন্ট করে ঘুমানোর অভ্যাস তার।

সাধারণত ঘুম ভাঙার কিছুক্ষণের মধ্যেই সে স্বপ্নের অর্ধেকটা ভুলে যায়। কিন্তু প্রায় বিশ বছর আগের শৈশবের স্মৃতিগুলো তার কাছে মনে হতে থাকে এইমাত্র ঘটে যাওয়া কোন ঘটনা। কয়েক মুহূর্ত পায়চারি করে সে। উদাসভঙ্গিতে তাকায় উত্তর আকাশের পানে। কিন্তু সেখানে কালো মেঘ ছাড়া আর কিছু দেখতে পায় না।

একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে…

Standard

ঘটনাস্থল রাজধানীর মৌচাক মার্কেটের একটি কফি শপ। ঘটনার প্রধান চরিত্র হল একজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রী। ধরে নেই তার নাম মহুয়া। পুরো ঘটনার প্রতক্ষদর্শী আমার এক বন্ধু কমল। সামান্য ঘষেমেজে তার বয়ান থেকেই ঘটনাটি শেয়ার করছি।

কফি শপের বামদিকের একদম শেষ টেবিলে বসে আছে মহুয়া। কিছুক্ষণ পর পর হাতঘড়ির দিকে তাকানোর ভংগি বলে দিচ্ছে সে কারো জন্য অপেক্ষা করছে। তার চোখে মুখে সন্ত্রস্ত ভাব। ভীরু ভীরু হরিণ চাহনি। নিজেকে ব্যস্ত রাখার জন্যই হয়ত আইফোনে নিয়ে খেলা করছে।

হঠাৎ তার ফোন বেজে উঠলো,
“হ্যালো, তুমি কই?”
ওপাশ থেকে কি উত্তর আসলো বোঝার উপায় নেই।
“আরো ২০ মিনিট! প্রথমদিন দেখা করতে আইসাই আমারে ২০মিনিট বসায় রাখবা? তুমি এখখুনি আসো। আমার ভাল্লাগতেছে না।“
আবার বিরতি…
“আমি কিচ্ছু জানি না…তুমি আসো।”
ফোনটা কেটে গেলো বোধ হয়।

আমি বসে আছি রেস্টুরেন্টের মাঝ বরাবর টেবিলটাতে।

প্রায় ২৫ মিনিট পর রেস্টুরেন্টে আগমন ঘটলো এক যুবকের। হাতে বেশ বড়সড় একটা বক্স আর কিছু লাল গোলাপ। বক্সটা সুদৃশ্য কাগজে মোড়ানো। তার তীক্ষ্ণ চোখজোড়া ছোটখাটো রেস্টুরেন্টটা একবারে দেখে নিল। তারপর সোজা চলে গেলো বামদিকের শেষ টেবিলটাতে যেখানে মহুয়া বসে আছে তার সামনে।

মহুয়ার চাহনিতে শিশুসুলভ হাসি। মনে হলো বহুদিনের পরিচিত দুজনের পুনর্মিলন।

ধরে নেই ছেলেটির নাম রাজিব। রাজিব কাগজের বক্সটাকে টেবিলের এক পাশে রেখে গোলাপগুলো মহুয়ার হাতে দিলো। মহুয়ার হাসিতে বালখিল্যতা।

আবার দীর্ঘক্ষণ বিরতি।

রাজিব: “আরে ধুর…মোবাইলে একটা টাকাও নাই। অ্যাই মহুয়া, তোমার মোবাইলটা একটু দাও না একটা কল করি।”
মহুয়া কফির কাপে চুমুক দিতে দিতেই তার মোবাইল টা রাজিবের হাতে দিয়ে দিল, “কিপটুস কোথাকার!”
রাজীব আইফোনটা হাতে নিয়েই একটা কল করল “ওই শোন্, আমি রাজিব। আমার টাকা শ্যাষ, তাই আরেক খান মোবাইল থেইকা কল করছি। তুই আইছছ?….মৌচাকের নিচে? আচ্ছা, তুই ১ মিনিট খারা আমি আইতাছি”।

“মহুয়া একটু দাড়াও তো। আমার এক ফ্রেন্ড আসছে নীচে। আমি যাবো আর আসবো।” মহুয়ার ফোনসহই সে নিচে নেমে যায়।

মহুয়া আবারো অপেক্ষা করছে। তার চোখে মুখে সন্ত্রস্ত ভাব। ভীরু ভীরু হরিণ চাহনি। কিন্তু নিজেকে ব্যস্ত রাখার জন্য এবার তার হাতে ফোন নেই।

বিরতি এবার আরো দীর্ঘ হয়। ঘন্টা পেরিয়ে যায়। একজন ওয়েটার এসে বিল রেখে যায় সামনে। আমি আরেকটি কফির অর্ডার দেই।

ঘটনা কিছুটা আঁচ করতে পেরে এগিয়ে যাই আমি।
“আপু কোন সমস্যা?”
অসহায় চাহনি, “না ভাইয়া, থ্যাংকিউ”।
আমার চোখের দিকে তাকাতে পারছে না মেয়েটা। আমি কথা বাড়াই না, ফিরে আসতে যাই আমার টেবিলে।
পিছুডাক, “ভাইয়া…একটা কল করা যাবে?”
“হমম”। ফোনটা বাড়িয়ে দেই আমি।

প্রথমে রাজিবের নাম্বার, পরে নিজের নাম্বারে কল করার চেষ্টা করে মহুয়া। দুটি থেকেই একই উত্তর, “এই মূহুর্তে সংযোগ দেয়া সম্ভব নয়….”।

এবার বোধ হয় ঘটনা মহুয়াও আঁচ করে ফেলেছে। তার চোখের কোণে জ্বলে উঠে অশ্রু কণা।

ঘটণা বুঝতে পেরেছে রেস্টুরেন্টে অন্য কর্ণারের দাড়ানো ওয়েটার দু’জনও। তারা এতক্ষণ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে উপভোগ করছিল। একজন এসে জানান দিল, “ম্যাডাম, বিল আসছে ৬৯৫ টাকা”।

মহুয়ার রক্তিম গাল বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে। বুঝতে পারি এত টাকা তার কাছে থাকার কথা না।

বিষন্ন গলায় বলে “ভাইয়া আরেকটা কল করা যাবে?” এবার কল করে সে তার মা’কে। মায়ের সাথে কথা হয়।

একজন ওয়েটার আমার পিছন থেকে বলে, “বস, বক্সটা খুলতে কন না”।

আমার বলতে হয় না। মহুয়া নিজ থেকেই খুলে ফেলে সুদৃশ্য র‌্যাপিং পেপার। বেরিয়ে আসে কয়েকদিনের ভাঁজ করা খবরের কাগজ। এবার আর মহুয়া কান্না ধরে রাখতে পারে না। শিশুর মত ডুকরে কেঁদে ওঠে।

প্রায় ৩০ মিনিট পর রেস্টুরেন্টে প্র্রবেশ করেন মধ্যবয়সী এক নারী। কেউ কিছু বলার আগেই মহুয়ার গালে বসে যায় তার আঙ্গুলের ছাপ। বুঝতে সমস্যা হয় না ভদ্রমহিলা-ই মহুয়ার মা।

ভদ্রমহিলা বিলের টাকা পরিশোধ করে দ্রুতই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

আমিও দু’টি কফির বিল দিয়ে বিদেয় হই।

রাজিবের মতো মানুষ আছে বলেই অমর হয়ে আছে হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুলো। তিনি বলে গিয়েছেন, মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো পাপ, তবে বাঙালির ওপর বিশ্বাস রাখা বিপজ্জনক।

মৃত কিংবা অর্ধমৃত

Standard

মাথার মধ্যে বাসা বেঁধেছে একটি পতঙ্গ
তার হুংকারে ভীত-সন্ত্রস্ত নিউরনেরা
স্বাধীনতা হারায়—হয় পঙ্গু স্বপ্নেরা,
মুখ থুবড়ে পড়ে থাকি এই অথর্ব আমি।

দৌর্দন্ড প্রতাপে পায়চারি করে পতঙ্গটি,
তার পাঁচখানা পা ধরে চলে ইন্দ্রিয়ের মিথস্ক্রিয়া
অসাড় এই আঙ্গুলগুলো টাইপ করে চলে
বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয়, ক্রিয়া।

*****

হৃদয়ের কিছু গল্প আছে পতঙ্গের অগোচর,
বালিকার রুজ মাখানো গালের রক্তিম আভা
খরিদ্দারের অপেক্ষায় বিষন্ন সেলসম্যান
কিংবা দলছুট পানকৌড়ির আহাজারি
নিস্তব্ধতা ভেঙে কাকের আওয়াজ,
বারিষ ভেজা বিকেলে জারুলের ঝলক।

*****

আমি কি জানবো এর কিছু?
আমি তো মৃত কিংবা অর্ধমৃত,
কাজ করি, খাই, দাই, ঘুমাই
শ্যাওলা আমার ঘরের দেয়ালে।

কবে কি ঘটে যায়,কবে কি হয়ে যায়,
কবে রটে যায় আমাকে বাদ দিয়ে খবর!
শিউরে ওঠার ফুরসৎটুকুও নাই
আমি তো মৃত কিংবা অর্ধমৃত।

নববর্ষ: যুগ থেকে যুগান্তরে

Standard

দেশ ও জাতি ভেদে নববর্ষের সূচনা দিবস বিভিন্ন হতে পারে। কিন্তু সকল ক্ষেত্রেই বর্ষবরণ একটি মঙ্গলময় অনুষ্ঠান। অতীতের অপ্রাপ্তি, জীর্ণতা, ব্যর্থতা – সব কিছু ভুলে মানুষ বছরের নতুন দিনটি শুরু করতে চায় নতুনভাবে, নতুন উদ্যমে। অনাগত জীবনের প্রতি এই অনুরাগের মর্মস্পন্দন সর্বত্র এক, অভিন্ন।

প্রাচীনকাল থেকেই মানুষের ফসল বপন, ফসল তোলার দিনক্ষণের গণনার জন্য ঋতু পরিবর্তনের হিসাব রাখা ছিল জরুরি। সেই তাগিদ থেকে উদ্ভব হয় বর্ষপঞ্জির। যুগে যুগে জাতিভেদে, গোত্রভেদে, জলবায়ুভেদে, ধর্মভেদে তৈরি হয়েছে নানান বর্ষপঞ্জি বা ক্যালেন্ডার। মায়ান ক্যালেন্ডার, অ্যাজটেক ক্যালেন্ডার, বেবিলনীয় ক্যালেন্ডার, রোমান ক্যালেন্ডার, পারসীয় ক্যালেন্ডার বা বৈদিক ক্যালেন্ডার। কখনও চাঁদকে, কখনও সূর্যকে বা কখনো দুটিকেই সূচক হিসেবে ধরে তৈরি হয়েছে এসব। সময়ের প্রয়োজনে তাতে এসেছে নানান পরিবর্তন, আবার কালের আবর্তে হারিয়ে গেছে অনেকগুলোই।

প্রাচীন মিশরে যে ক্যালেন্ডার প্রচলিত ছিল তার প্রতি মাসে ৩০ দিন করে ১২ মাসে ছিল মোট ৩৬০ দিন। বাকি ৫/৬ দিনে নানান উৎসব পালন করা হত। এ ক্যালেন্ডারে সাতদিনের সপ্তাহের হিসাব বাদ দিয়ে দশদিনের সপ্তাহের প্রচলন করা হয়। প্রতি মাসে তিনটি সপ্তাহ—এর প্রথম নয়দিনই কর্মদিবস হিসেবে পালন করা হতো, শেষেরদিন ছিল বিশ্রামের দিন। ফরাসী বিপ্লবের সময় ফ্রান্সে প্রায় একইধরনের ক্যালেন্ডারের প্রচলন হয়। এসময় এক নতুন ঘড়ি প্রচলনেরও চেষ্টা করা হয় যাতে একদিনকে ১০ ঘন্টায় ভাগ করা হয়; ১ ঘন্টায় ১০০ মিনিট, ১ মিনিটে ১০০ সেকেন্ড। এভাবে প্রতিদিন ১০০০০ সেকেন্ড। পরে সম্রাট নেপোলিয়ন এ ক্যালেন্ডার বিলুপ্ত করেন।

ইসলামী ক্যালেন্ডার হযরত মুহাম্মদ (স.) এর হিজরতের দিনকে প্রথম দিন হিসেবে ধরে ‘হিজরি’ সাল গণনার সূত্রপাত। এ ক্যালেন্ডার চন্দ্রনির্ভর, তাই মাসগুলো চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে ২৯ অথবা ৩০ দিনের হয়। সাধারনত: ৩৫৪ বা ৩৫৫ দিনে এক বছর সম্পন্ন হয়।

বাংলায় মুঘল সম্রাট আকবর নতুন বর্ষপঞ্জি চালুর আগ পর্যন্ত হিজরি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী শুল্ক আদায় করা হত। চন্দ্রনির্ভর বর্ষপঞ্জি প্রতিবছর ১১ দিন করে এগিয়ে যাবার কারনে ফসলের মৌসুমের সাথে বর্ষপঞ্জির আর সামঞ্জস্য থাকেনা। এই বিপদ ঘোঁচাতে চালু হয় নতুন একটি বর্ষপঞ্জি। ৯৬৩ হিজরি সালকে ৯৬৩ বাংলা সন ধরে নতুন সৌরনির্ভর গণনা শুরু হয়।

চাইনিজ ক্যালেন্ডার অনেকটাই দুবোর্ধ্য। একটা সহজ থাম্ব রুল হলো এরকম—চন্দ্রমাস অনুযায়ী ১২ মাসে ৩৫৩ বা ৩৫৪ দিন থাকে। কিন্তু সৌরবছরের সাথে মিল রাখার জন্য লিপ ইয়ারে তা হয়ে যায় ১৩ মাস বা ৩৮৩/৩৮৪ দিন। একারনে চাইনিজ নববর্ষ সবসময়ই ২১ জানুয়ারী থেকে ২১ ফেব্রুয়ারী এর মধ্যে হয়ে থাকে। অন্যান্য ক্যালেন্ডারের মতো চাইনিজ ক্যালেন্ডার অনন্তকাল পর্যন্ত চলে না, বরং ৬০ বছরের এক একটি চক্রে আবর্ত হয়। একটি চক্রের ৬০ বছরকে নানান স্বর্গীয় নাম ও পশুর নামের সমন্বয়ে নামকরণ করা হয়। এই যেমন ইঁদুর, ষাঁড়, বাঘ, খরগোশ, ড্র্যাগন, সাপ, ঘোড়া, মেষ, বানর, মুরগি, কুকুর, শুকরের বছর।

বাহাই ধর্মাবলম্বীদের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী উনিশ দিনে মাস, উনিশ মাসে বছর; এভাবে ৩৬১দিন, সাথে অতিরিক্ত ৪ দিন। মার্চের ২১ তারিখ মহাবিষুবের দিন তাদের নববর্ষের দিন। আবার মরোক্কবাসী নববর্ষ পালন করে হিজরি ১০ মহররম তারিখে। নাইজেরিয়া ও বেনিনের ইয়োরুবা সম্প্রদায় জুনের ৩ তারিখে নববর্ষ পালন করে। পশ্চিম আফ্রিকার উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া জানুয়ারি মাসের প্রথম দিন থেকে তিনদিন নববর্ষ পালন করে থাকে। আবার ইথিওপিয়ায় নববর্ষ হলো সেপ্টেম্বর ১১।

যে যেদিনই পালন করুক না কেনো নববর্ষের প্রথম দিনটি সার্বজনীনভাবেই সৌভাগ্যের বিষয়। আর তা বরণ করতে মানুষ আয়োজন করে নানান আচার-অনুষ্ঠান, পালন করে নিজস্ব সংস্কারে।

বর্ষবরণ উপলক্ষে মারমা, চাকমা, ত্রিপুরা, লুসাই, খিসা, চাক, খেয়াং, ম্রোসহ বিভিন্ন পাহাড়ি পল্লীগুলো তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিতে নববর্ষ পালন করে। পুরনো বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে বরণ করাকে ত্রিপুরারা ‘বৈসু’, মারমারা ‘সাংগ্রাই’, চাকমারা ‘বিজু’ ও তংচঙ্গ্যারা ‘বিসু’ বলে থাকে। এ ৪টি নামকে মিলিয়ে তাই এ অনুষ্ঠানকে ‘বৈসাবি’ নামেই বেশি পরিচিত। চৈত্র মাসের শেষ দিন থেকে বৈশাখ মাসের ৩ তারিখ পর্যন্ত অত্যন্ত আনন্দ-উল্লাসের মধ্য দিয়ে এই উৎসব পালিত হয়। প্রায় একই সময়ে একই ধরনের উৎসব হয় মায়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়ায়।

চাইনিজরা পূর্ণিমার শুরুর দিন থেকে শুক্লপক্ষের পনের দিন পর্যন্ত পালন করে উৎসব। নববর্ষই হচ্ছে তাদের প্রধান উৎসব, তাই পৃথিবীর প্রায় এক চতুর্থাংশ মানুষ এই উৎসবে অংশগ্রহন করে। চীন ছাড়াও সিংগাপুর, মালায়শিয়া, তাইওয়ান, ইন্দোনেশিয়াসহ পৃথিবীর যেখানেই চায়নাটাউন আছে সেখানেই চলে সাজসজ্জা, ভুরিভোজ আর দেবতাদের প্রতি বিশেষ প্রার্থনা।

জার্মানরা গলিত সীসা পানিতে ঢেলে তাদের ভাগ্য দেখার চেষ্টা করে। সীসা জমে আংটি বা হৃৎপিন্ডের কাছাকাছি কোন আকার ধারন করলে তারা ধরে নেয় নতুন বছরে বিবাহ আসন্ন। নৌকা জাতীয় কোন আকার ধারন করলে যাত্রা শুভ।

পর্তুগীজ আর স্প্যানিয়ার্ডরা রাত বারোটা বাজার সাথে বারোটা করে আঙুর খেয়ে নেয়। তাদের ধারনা এই আঙুরগুলো সামনের বারোমাস তাদের জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনবে। আবার পেরুর লোকেরা মনে করে আঙুর আরো একটা বেশি খেলে ভাগ্য সুপ্রসন্ন হবে। ফিলিপাইনসে বাচ্চারা রাত বারোটায় সর্বশক্তিতে লাফাতে থাকে; যাতে তারা লম্বা হয়।

নববর্ষ পালনের দিন ভিন্ন হতে পারে, থাকতে পারে ভিন্ন রীতি; কিন্তু এর আবেদন সবার কাছে সমান। সবার রয়েছে অতীতের দুঃখ-শোক ধুয়ে মুছে নতুনভাবে জীবন শুরু করার স্বপ্ন । আর এ স্বপ্নে বিভোর হয়ে বছরের প্রথম দিনটিতে মোহময় করার জন্য স্বাড়ম্বরের সাথে সবার সমন্বিত প্রার্থনা – নতুন বছর শুভ হোক।

সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা। ভাল থাকুন আগামী বৈশাখের প্রথম সূর্যোদয় নাগাদ।

মাসাইদের দেশে – পর্ব ১

Standard

২০০৮ সালের শেষদিকে মাসাইদের দেশ কেনিয়া ভ্রমণের সুযোগ হয়। কেনিয়ার সেই সফর নিয়ে আমার এই ধারাবাহিক]

আমার মনের কোন এক কোনায় আফ্রিকায় আসা ও কাজ করার একটা সুপ্ত ইচ্ছা ছিলো সবসময়ই। সে ইচ্ছা আজ পুরণ হতে চলেছে। অফিসের কাজে কেনিয়া যাচ্ছি। কেনিয়া দেখেছি “Out of Africa” তে কারেন ব্লিক্সেন বা মেরিল স্ট্রিপের চোখে। দেখেছি “Constant Gardener” এ। Discovery বা NatGeo চ্যানেলের বদৌলতে অসংখ্যবারই দেখেছি সিংহের হরিণ শিকার বা কুমিরের জেব্রা শিকার করার দৃশ্য। আজ নিজ চোখে দেখতে যাচ্ছি। জীবনে প্রথমবারের মতো প্লেনে চড়তে যাচ্ছি। আজ ২ ডিসেম্বর, ২০০৮।

প্রথমেই বাম হাত ঢুকালো এমিরেটস এর বিলম্বিত ফ্লাইট। ঢাকা থেকে প্লেন ছাড়লো দুই ঘন্টা দেরি করে। দুবাই পৌঁছে শুনলাম কানেক্টিং ফ্লাইটও মিস করেছি, পরবর্তী ফ্লাইট পরেরদিন সকাল এগারটায়। শাপে বর হিসেবে পেলাম ২০ ঘন্টা দুবাইতে কাটানোর সুযোগ, সাথে ফ্রি হোটেল স্টে আর ভিসা। জয় এমিরেটস! জয় ফ্লাইট ডিলেই! [দুবাইয়ের এই ঘটনাবহুল ২০ ঘন্টা নিয়ে একটা পোস্ট পরবর্তীতে দেয়ার ইচ্ছা আছে।]

নাইরোবি যখন পৌঁছলাম তখন প্রায় সন্ধ্যা। আহামরি কোন শহর নয় নাইরোবি। ঢাকার সাথে অনেক মিল—হাইরাইজ দালান, দরিদ্র মানুষজন, রাস্তার পাশের ভাঙাচোরা ফার্নিচারের দোকান, স্থবির ট্রাফিক সবই এখানে আছে। আমাদের জন্য অপেক্ষমাণ গাড়িতে পরিচয় পাকিস্তানের আসিফের সাথে। সে-ই সাবধান করে দিলো সন্ধ্যার নাইরোবির ব্যাপারে। অন্ধকার নামলেই নাকি এটা হয়ে যায় ছিনতাইকারীর শহর।


নাইরোবিতে এরকম পার্ক/সবুজ উদ্যানের দেখা মিলবে অনেক


কেনিয়া গিয়ে এসব হ্যান্ডিক্রাফট না কেনা হবে অন্যায়


আমি এটা কিনেছিলাম, দাম পড়েছিল বাংলাদেশি টাকায় ৭০০ টাকার মতো

আমি যে এপার্টমেন্টে উঠলাম তাতে ফ্যান বা এসি ছিল না। পরে দেখলাম প্রায় সব বাড়িতেই একই অবস্থা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৮০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত এই শহরের তাপমাত্রা সারা বছরই বিশ/বাইশ সর্বোচ্চ পচিঁশ। ইকুয়েটরের কাছাকাছি বলে ঋতু পরিবর্তনেরও তেমন বালাই নেই। পরবর্তীতে আফ্রিকার অনেক শহরে ছিলাম, এত ভাল আবহাওয়া আর কোথাও পাইনি।

কেনিয়াতে প্রথম বিপত্তি হলো খাওয়া দাওয়া নিয়ে। জীবনে কখনও রান্না করিনি। তাই প্রথম কয়েকটা দিন বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে স্যাম্পলিং করলাম। বুঝলাম রান্না ছাড়া গতি নাই। অগত্যা রান্নায় হাত দিতে হলো। প্রথমবার রান্নায় আমি নিজেই অবাক। এতোদিন এ প্রতিভা কোথায় ছিল! নানান এক্সপেরিমেন্ট চলল—গিনিপিগ আমি নিজেই, মাঝে মাঝে আমার দুই কলিগ। রান্না যে একটা শিল্প সেটা তাদের বুঝানোর চেষ্টাতে কোন ত্রুটি ছিল না। এখানে কোন বাঁধাধরা নিয়ম নাই, যাই রাঁধবেন তাই একটা খাবার। এরপর যে কয়দিন কেনিয়া তে ছিলাম রান্নার গবেষনা করেই খেয়েছি। [P.S.: আমার টেস্টবাড নিয়ে কোন প্রশ্ন করা চলবে না। ]

মাসাই ভাষায় নাইরোবি মানে হলো ‘শীতল পানির স্থান’। শীতল পানির সন্ধানে বহু দূর-দুরান্ত থেকে মাসাইরা এখানে আসতো চাষাবাদ, পশু চরাতে । বিট্রিশরা এ অঞ্চলে আসার পর উগান্ডা থেকে দক্ষিণের শহর মোম্বাসা পর্যন্ত রেল লাইন তৈরি করে। তখন থেকেই নাইরোবি ছিল বড়সড় স্টেশন। ওই রেল লাইন তৈরির কাজে ব্রিটিশরা ভারত থেকে আনে অনেক ভারতীয় শ্রমিক। তাই কেনিয়াতে, বিশেষ করে নাইরোবিতে এখনও প্রচুর ভারতীয় দেখা যায়। যদিও তাদির বেশিরভাগই এখন কেনিয়ার নাগরিক। ভারতীয়রা এখন প্রচুর ধন সম্পত্তিরও মালিক। বিশাল বিশাল সব শপিং সেন্টার আর সুপারমার্কেট তাদের দখলে।

এরকমই একটি চেইন সুপারমার্কেট “নাকুমাট”। নাকুমাটের স্টোর কেনিয়ার প্রায় সব শহরেই আছে। তাই বেশিরভাগ কেনাকাটা এখান থেকেই করতাম। ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে নাকুমাটের ডাউনটাউন স্টোরে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে, আমি তখন কেনিয়াতেই। আগুন লেগে প্রায় ৫০ জনের মতো মারা যায়।

একদিন গেলাম এনগং হিলে কারেন ব্লিক্সেনের সেই বাড়িটিতে। যেখানে পা দিতেই কারেনের সময়ে চলে যাই। মনে পড়ে যায় মুভির প্রথম সংলাপ “I had a farm in Africa at the foot of the Ngong Hills…”। মুভির নানা দৃশ্য আমার মাথায় অনুরণন তোলে। একসময় এই বাড়ি ছেড়ে কফি খামার, আসবাবপত্র, সব বিক্রি করে রওনা দেয় কারেন, আফ্রিকা ছেড়ে চলে যাবার জন্য। তার অনেক স্মৃতির এনগং হিল চোখের সামনে বিস্মৃতি হয়ে যায় চিরকালের জন্য।

৭ ডিসেম্বর ২০০৮। ঈদুল আযহা। দেশের বাইরে, পরিবারের বাইরে প্রথম ঈদ। বাংলাদেশের ঈদের আমেজের কিছুই নাই এখানে, এমনকি অফিসও ছুটি না। কেউ বলে না দিলে বোঝার উপায় নেই আজ ঈদ। সকালে অফিসে গেলাম একটু তাড়াতাড়ি। টুকটাক কিছু কাজ সেরে সোজা ঈদগাহে। কেনিয়াতে যে এত ভাল একটা বাংলাদেশি কমিউনিটি আছে জানা ছিল না। এ কমিউনিটির নিউক্লিয়াস হলো হাইকমিশনার একেএম শামসুদ্দিন সাহেব। ঈদগাহে অনেকের সাথে দেখা হলো, একসাথে এত বাঙালি দেখে মনটা খুশিতে ভরে গেল। নামাজ শেষে হাইকমিশনারের আমন্ত্রণে আমরা সবাই তার বাসায় গেলাম। কথা প্রসঙ্গে জানতে পারলাম তিনিও বুয়েটিয়ান, আমার ডিপার্টমেন্টেরই। তার বাসায় আরো অনেকের সাথে দেখা হলো। দেশের বাইরে থাকলে যেকোন বাঙালিকেই কাছের বলে মনে হয়। বাঙালি স্বাদের অসাধারন খাবার দেশের কথা একটু হলেও ভুলিয়ে দিল। খেলামও bon appetit করে। দেশ থেকে ৪০০০ মাইল দুরে বসে এরকম খানাপিনা করা ছিল কল্পনাতীত। পরে জানতে পারলাম সবগুলো খাবারই রান্না করেছেন হাইকমিশনার আঙ্কেলের স্ত্রী। এরপর বিভিন্ন জাতীয় দিবসে বেশ কয়েকবার গিয়েছি তাদের বাসায়, প্রতিবারই পেয়েছি অকৃত্রিম আতিথেয়তা।

এটা ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০০৯ এ তোলা। গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলোতে হাইকমিশনারের বাসায় বাঙালিদের মিলনমেলা বসতো।

(চলবে)

৪০ মিনিট…এবং কিছু বিক্ষিপ্ত ভাবনা

Standard

রাকিব ধানমন্ডি থেকে বাসার দিকে যাচ্ছে। আর আকাশ আর কুসুম এক করে ভাবছে। দুনিয়ার যতো বিক্ষিপ্ত ভাবনা, আজেবাজে ভাবনা। তার এই মূহুর্তের ভাবনার বিষয় ৪০ মিনিট। আজ একজনের সাথে দেখা করতে গিয়ে ৪০ মিনিট দেরি করে ফেলেছে।

***

রাকিবের ভাবনা চলতেই থাকে।

আচ্ছা, এই ৪০ মিনিট উসাইন বোল্টকে দৌড়াতে দিলে কি সে ২৪ কিলোমিটার যেতে পারতো? ১০ সেকেন্ডে ১০০ মিটার তো তার কাছে কোন ব্যাপারই না, পারবে নিশ্চয়ই।

মোহাম্মাদ আলি স্যার এর লেকচারও তো ৪০ মিনিটই হতো।

সে ভাবে, তার ইউপিএস তো ৪০ মিনিট ব্যাক-আপ দেয়।

এই সেদিনই ফুটবলে বাংলাদেশ খেলার ৪০ মিনিট পর্যন্ত ঠেকিয়ে রেখেছিল ফিলিপাইনকে। এরপর না হয় কুলিয়ে উঠতে না পেরে তিন গোল খেয়েছিল।

গেলোবার উইন্ডোজ সেট-আপ করতেও তার এই সময়ই লেগেছিল।

আচ্ছা, ওয়ানডেতে দুই ইনিংসের মাঝে খেলোয়াড়রা ৪০ মিনিটেরই ব্রেক নেয়, তাই না?

এই সময়ে তো মনে হয় একটা মুরগি গ্রিল করা যেতো।

এই ৪০ মিনিটে প্লেনে করে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়া যেতো।

অথবা, এই ৪০ মিনিট ‘তার’ সাথেই কাটানো যেতো!

রাকিব ভাবতেই থাকে।

***

ঠিক ৪০ মিনিটের মধ্যেই সে বাসায় পৌঁছে যায়।

গুনগুন: আমাকে আমার মতো থাকতে দাও

Video

গতকাল রাত থেকে একটা গান শুনছি, শুনেই যাচ্ছি। এই মূহুর্তে অফিসে বসেও শুনছি। একরকম প্রেমেই পড়ে গেছি বলা যায় গানের। কথাগুলোই এমন যে ভাল না লেগে উপায় নেই। এরই মধ্যে কম করে হলেও ২৫ বার শুনে ফেলেছি। 🙂

ধন্যবাদ পৃথুকে অ্যালবামের খবর দেয়ার জন্য। গানটি কলকাতার অটোগ্রাফ (২০১০) মুভি থেকে নেয়া। গানের কথা এরকম…

আমাকে আমার মতো থাকতে দাও,
আমি নিজেকে নিজের মতো গুছিয়ে নিয়েছি।
যেটা ছিলনা ছিলনা সেটা না পাওয়াই ভাল,
সব পেলে নষ্ট জীবন।

তোমার এই দুনিয়ার ঝাপসা আলো,
কিছু সন্ধ্যের গুড়ো হওয়া কাচের মতো।
যদি উড়ে যেতে চাও তবে গা ভাসিয়ে দাও,
দূরবীণে চোখ রাখবো না না না …

এই জাহাজ মাস্তুল ছাড়খাড়,
তবু গল্প লিখছি পাঁচবার।
আমি রাখতে চাইনা আর তার,
কোন রাত-দূপুরের আবদার।
তাই চেষ্টা করছি বারবার,
সাতরে পাড় খোজার।

ইউটিউব ভিডিও এখানে।

Give me reason, but dont give me choice

Standard

I really like this James Blunt guy. He got incredibly great voice and guitar-work. His songs are “out-of-the-box” and that separate them from those typical love songs.

Now, I just heard the song Same Mistake in the movie P.S. I love you and I got stuck into this. A really tormented soul sounding song, really melancholy as James gets, nice comforting as well.

James Blunt – Same Mistake

So while I’m turning in my sheets
And once again I cannot sleep
Walk out the door and up the street
Look at the stars beneath my feet
Remember rights that I did wrong
So here I go../

Hello, hello

There is no place I cannot go
My mind is muddy but
My heart is heavy does it show
I lose the track that loses me
So here I go

……
I’m not calling for a second chance
I’m screaming at the top of my voice
Give me reason, but dont give me choice
Cause I’ll just make the same mistake again

And maybe someday we will meet
And maybe talk but not just speak
Dont buy the promises cause
There are no promises I keep
and my reflection troubles me
So here I go…

I’m not calling for a second chance
I’m screaming at the top of my voice
Give me reason, but dont give me choice
Cause I’ll just make the same mistake

Give it a try here